বাংলাদেশ ০৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল্যায়নে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী

 

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে জাতীয় স্বার্থভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

 

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজ’-এর চতুর্থ পর্বে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী এক দশকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির তুলনামূলক পর্যালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আলোচনায় ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করায় বিশ্বের অন্যান্য শক্তিশালী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারের সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী দশকের দ্বিতীয়ার্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন। তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশের শ্রমশক্তির জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের নতুন সম্ভাবনা ও জনশক্তি রপ্তানির পথ উন্মুক্ত হয়। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

সেমিনারে আরও আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আব্দুল মান্নান। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতের কৌশলগত স্বার্থ, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্‌সান মাহমুদ। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন লেখক ও গবেষক তুহিন খান।

 

এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ :

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল্যায়নে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী

প্রকাশিত: ১০:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

 

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে জাতীয় স্বার্থভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

 

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা সেমিনার সিরিজ’-এর চতুর্থ পর্বে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী এক দশকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির তুলনামূলক পর্যালোচনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আলোচনায় ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করায় বিশ্বের অন্যান্য শক্তিশালী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারের সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী দশকের দ্বিতীয়ার্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন। তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশের শ্রমশক্তির জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের নতুন সম্ভাবনা ও জনশক্তি রপ্তানির পথ উন্মুক্ত হয়। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

সেমিনারে আরও আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. মো. আব্দুল মান্নান। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ভারতের কৌশলগত স্বার্থ, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্‌সান মাহমুদ। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন লেখক ও গবেষক তুহিন খান।

 

এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবী, শিক্ষার্থী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।