বাংলাদেশ ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে এলাকাকে সুন্দর করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে একটি এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্যের উন্নয়ন করা সম্ভব হলেও তা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আমিনবাজারকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন অন্যান্য এলাকাতেও সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশনা দেন।

মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থিত মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু স্থানের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাঁদের দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব স্থান পরিষ্কার, উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বাড়বে। পাশাপাশি পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ কাজে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগকে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে এলাকাকে সুন্দর করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫:৩১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে একটি এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্যের উন্নয়ন করা সম্ভব হলেও তা ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আমিনবাজারকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন অন্যান্য এলাকাতেও সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশনা দেন।

মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থিত মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু স্থানের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাঁদের দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব স্থান পরিষ্কার, উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বাড়বে। পাশাপাশি পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ কাজে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগকে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।