বাংলাদেশ ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে ১২ বছরেও চালু হয়নি ৫০ লাখ টাকার সেতু

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের জামালপুর এলাকায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ১২ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় নির্মাণের এক যুগ পরও সেতুটি জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরষপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আশপাশের এলাকার মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারি অর্থে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অব্যবহৃত পড়ে থাকলেও এটি চালুর বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

হরষপুর রেলওয়ে স্টেশন এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দাদের এ স্টেশনে আসা-যাওয়া করতে হয়। কিন্তু জামালপুর এলাকায় নির্মিত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না তাঁরা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর মতে, সেতুটি নির্মাণের সময় দুই পাশে সংযোগ সড়ক তৈরি করা হলে স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হতো। একই সঙ্গে হরষপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাতায়াত আরও সহজ ও সুবিধাজনক হতো। কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছরেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোটি কার্যত অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।

প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিনেও ব্যবহার উপযোগী না হওয়ায় সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু সেতু নির্মাণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; এর সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণও জরুরি।

এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে এটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত সেতুটি অবশেষে জনসাধারণের কাজে আসবে।

ট্যাগ :

হবিগঞ্জে ১২ বছরেও চালু হয়নি ৫০ লাখ টাকার সেতু

প্রকাশিত: ০৮:২০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের জামালপুর এলাকায় প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ১২ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় নির্মাণের এক যুগ পরও সেতুটি জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। ফলে গুরুত্বপূর্ণ হরষপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আশপাশের এলাকার মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারি অর্থে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অব্যবহৃত পড়ে থাকলেও এটি চালুর বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

হরষপুর রেলওয়ে স্টেশন এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দাদের এ স্টেশনে আসা-যাওয়া করতে হয়। কিন্তু জামালপুর এলাকায় নির্মিত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এর সুফল পাচ্ছেন না তাঁরা। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর মতে, সেতুটি নির্মাণের সময় দুই পাশে সংযোগ সড়ক তৈরি করা হলে স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হতো। একই সঙ্গে হরষপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাতায়াত আরও সহজ ও সুবিধাজনক হতো। কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছরেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোটি কার্যত অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।

প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিনেও ব্যবহার উপযোগী না হওয়ায় সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু সেতু নির্মাণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; এর সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণও জরুরি।

এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে এটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে এবং সরকারি অর্থে নির্মিত সেতুটি অবশেষে জনসাধারণের কাজে আসবে।