বাংলাদেশ ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজয়া দশমীর মূল আকর্ষণ সিঁদুর খেলা, বিদায়বেলায় আবেগে ভারী পূজামণ্ডপ

বিদায়ের করুণ সুর আর সিঁদুর খেলার আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে জেলার ১ হাজার ২২টি পূজামণ্ডপে পূজা, পুষ্পাঞ্জলি, সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।
বিজয়া দশমীর সকালে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবীর পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী দর্পণ বিসর্জন শেষে বিবাহিত নারীরা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। তাঁরা দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করে একে অপরের কপাল ও সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় স্বামী, সন্তান ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন তাঁরা।

সিঁদুর খেলার আনন্দঘন মুহূর্তের পাশাপাশি দেবীকে বিদায়ের সময় অনেক ভক্তের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তাই এ দিনটি ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তাও বহন করে।

উৎসবের শেষ দিনে আনন্দ, প্রার্থনা ও বিদায়ের আবেগ মিলেমিশে একাকার হয়ে ওঠে মৌলভীবাজারের পূজামণ্ডপগুলো।

ট্যাগ :

বিজয়া দশমীর মূল আকর্ষণ সিঁদুর খেলা, বিদায়বেলায় আবেগে ভারী পূজামণ্ডপ

প্রকাশিত: ০৬:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বিদায়ের করুণ সুর আর সিঁদুর খেলার আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে মৌলভীবাজারে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে জেলার ১ হাজার ২২টি পূজামণ্ডপে পূজা, পুষ্পাঞ্জলি, সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।
বিজয়া দশমীর সকালে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবীর পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী দর্পণ বিসর্জন শেষে বিবাহিত নারীরা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। তাঁরা দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করে একে অপরের কপাল ও সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় স্বামী, সন্তান ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন তাঁরা।

সিঁদুর খেলার আনন্দঘন মুহূর্তের পাশাপাশি দেবীকে বিদায়ের সময় অনেক ভক্তের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তাই এ দিনটি ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তাও বহন করে।

উৎসবের শেষ দিনে আনন্দ, প্রার্থনা ও বিদায়ের আবেগ মিলেমিশে একাকার হয়ে ওঠে মৌলভীবাজারের পূজামণ্ডপগুলো।