বাংলাদেশ ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’, কাজ করবে যেভাবে

ক্রিকেটে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিশেষ করে ক্যাচ আউটের আবেদনে বল ব্যাট স্পর্শ করেছে কি না, তা নির্ধারণ করতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয় আম্পায়ারদের।

এমন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে ক্রিকেটের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিতে (ডিআরএস) যুক্ত হয়েছে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’। নিউজিল্যান্ডের তৈরি এই প্রযুক্তি ভারতের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি), সম্প্রচারমাধ্যম স্কাই ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়াল আই যৌথভাবে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ডিআরএসের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘সনিক’। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাট ও বলের সম্ভাব্য সংস্পর্শ শনাক্ত করতে সহায়তা করে প্রযুক্তিটি।

এর ফলে টিভি আম্পায়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় বাড়তি তথ্য পান। বিশেষ করে বল ব্যাট স্পর্শ করেছে কি না, তা নির্ধারণে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সমর্থনও ছিল। ২০০৮ সাল থেকে বলের গতিপথ নির্ণয়ের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আইসিসির স্বীকৃতি রয়েছে ভার্চুয়াল আইয়ের।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের বিপণন ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান গ্লেন ক্রিচলি বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই প্রযুক্তিটির বিস্তৃত পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল আইয়ের প্রধান নির্বাহী বেন টেলর বলেন, নির্ভুলতা, ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ মান পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের দল প্রযুক্তিটির উন্নয়ন ও পরিমার্জনে কাজ করেছে।

আপাতত নিউজিল্যান্ড-ভারত সিরিজে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে এর ব্যবহার নির্ভর করবে আইসিসির অনুমোদন ও স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার ওপর।

ট্যাগ :

ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’, কাজ করবে যেভাবে

প্রকাশিত: ০৫:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ক্রিকেটে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিশেষ করে ক্যাচ আউটের আবেদনে বল ব্যাট স্পর্শ করেছে কি না, তা নির্ধারণ করতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয় আম্পায়ারদের।

এমন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে ক্রিকেটের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিতে (ডিআরএস) যুক্ত হয়েছে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’। নিউজিল্যান্ডের তৈরি এই প্রযুক্তি ভারতের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি), সম্প্রচারমাধ্যম স্কাই ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়াল আই যৌথভাবে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ডিআরএসের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘সনিক’। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাট ও বলের সম্ভাব্য সংস্পর্শ শনাক্ত করতে সহায়তা করে প্রযুক্তিটি।

এর ফলে টিভি আম্পায়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় বাড়তি তথ্য পান। বিশেষ করে বল ব্যাট স্পর্শ করেছে কি না, তা নির্ধারণে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সমর্থনও ছিল। ২০০৮ সাল থেকে বলের গতিপথ নির্ণয়ের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আইসিসির স্বীকৃতি রয়েছে ভার্চুয়াল আইয়ের।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের বিপণন ও বাণিজ্য বিভাগের প্রধান গ্লেন ক্রিচলি বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই প্রযুক্তিটির বিস্তৃত পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল আইয়ের প্রধান নির্বাহী বেন টেলর বলেন, নির্ভুলতা, ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ মান পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তাঁদের দল প্রযুক্তিটির উন্নয়ন ও পরিমার্জনে কাজ করেছে।

আপাতত নিউজিল্যান্ড-ভারত সিরিজে ‘সনিক’ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে এর ব্যবহার নির্ভর করবে আইসিসির অনুমোদন ও স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার ওপর।