বাংলাদেশ ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে পাগলাপীরে সড়কের দুই পাশে সমবেত হাজারো মানুষের উদ্দেশে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ। দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা।’
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকেই খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে অংশ নিয়েছেন। দেশ গড়ার কাজেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে জানতে চান, তাঁরা তাঁর সঙ্গে আছেন কি না। এ সময় উপস্থিত জনতা হাত উঁচিয়ে সমর্থন জানান।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।

রংপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং পূজার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা রয়েছে তাঁর। পরে রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এর আগে সকালে তিনি তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার মহাখালী ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।


আজ মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী পালিত হচ্ছে। আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসব শেষ হবে।

ট্যাগ :

সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৩:০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে পাগলাপীরে সড়কের দুই পাশে সমবেত হাজারো মানুষের উদ্দেশে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ। দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা।’
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকেই খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে অংশ নিয়েছেন। দেশ গড়ার কাজেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে জানতে চান, তাঁরা তাঁর সঙ্গে আছেন কি না। এ সময় উপস্থিত জনতা হাত উঁচিয়ে সমর্থন জানান।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।

রংপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং পূজার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা রয়েছে তাঁর। পরে রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
এর আগে সকালে তিনি তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার মহাখালী ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।


আজ মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী পালিত হচ্ছে। আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসব শেষ হবে।