বাংলাদেশ ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়লেখায় চুরির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকারসহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চুরির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোন ও নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বড়লেখা থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন ঘরে তালা দিয়ে অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার, কানের দুল ও দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।


এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭ ও ৩৮০ ধারায় মামলা করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে জিল্লুর মিয়া (২৬), মনির হোসেন (৩৩) ও আব্দুল আহাদকে (৪৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদ (২৭) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন ও চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পরে পারভেজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন আহমদ (৩৮) নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিরপাড় এলাকার রহমান ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় পুষ্পা জুয়েলার্সের ১৩ নম্বর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সাইদুর রহমান (২৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ২১ অক্টোবর বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :

বড়লেখায় চুরির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকারসহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশিত: ০১:২৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চুরির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে স্বর্ণালংকার, দুটি মুঠোফোন ও নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বড়লেখা থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন ঘরে তালা দিয়ে অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার, কানের দুল ও দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।


এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭ ও ৩৮০ ধারায় মামলা করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে জিল্লুর মিয়া (২৬), মনির হোসেন (৩৩) ও আব্দুল আহাদকে (৪৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদ (২৭) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন ও চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পরে পারভেজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন আহমদ (৩৮) নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিরপাড় এলাকার রহমান ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় পুষ্পা জুয়েলার্সের ১৩ নম্বর দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে সাইদুর রহমান (২৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ২১ অক্টোবর বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।