২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশ দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে চায় পুলিশ। জন-আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ চলছে।
শনিবার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইন্সে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার খুলনার কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, বিগত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসন করাই তাঁদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছে। সমাজে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নির্মূল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
পুলিশপ্রধান বলেন, বর্তমানে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চলছে। বর্তমান সরকার এ কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বেগবান করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম একটি কাঠামোর মধ্যে পরিচালনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
পরে আইজিপি খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে খুলনায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 











