ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার।
তিনি বলেন, দক্ষ, সৎ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরির মাধ্যমে আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আজ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইনজীবীদের সামাজিক দায়বদ্ধতাও রয়েছে। বিভিন্ন মত ও পথের অনুসারী হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ক্ষমতার লোভ নয়, বরং ন্যায়বিচার, জনস্বার্থ ও মানবিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সাম্য, আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।
মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খানের অবদানের কথা স্মরণ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, হবিগঞ্জ অঞ্চলে আইন শিক্ষার প্রসার এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টিতে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। হবিগঞ্জ ল’ কলেজ ভবিষ্যতেও যোগ্য ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, আমন্ত্রিত অতিথি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 











